জাতীয়

পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্ক তুলে নিল ভারত

  প্রতিনিধি ২৩ মার্চ ২০২৫ , ৯:৩৪:১৬ প্রিন্ট সংস্করণ

পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্ক তুলে নিয়েছে ভারতের রাজস্ব বিভাগ। যা আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। এতদিন পেঁয়াজ রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক ছিল। শনিবার ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া রয়টার্সসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ খবর প্রকাশ হয়েছে।
প্রায় দেড় বছর ধরে ন্যূনতম দর বেঁধে দেওয়াসহ পেঁয়াজ রপ্তানিতে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছিল ভারত সরকার। এবার সেখান থেকে সরে এলো দেশটি। মূলত পেঁয়াজের মজুত বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
তবে নয়াদিল্লি বলছে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, পেঁয়াজ রপ্তানিতে দেশটিতে প্রায় ১০ মাস ধরে যে শুল্ক বসছে, তার শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। ওই সময় অভ্যন্তরীণ ঘাটতির আশঙ্কায় পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করে ভারত। সেই সময়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক আগেই পেঁয়াজ রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে ভারত। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকলে রপ্তানি বন্ধ থাকায় সে সুবিধা নিতে পারছিলেন না দেশটির কৃষকরা। এ নিয়ে তখন আন্দোলনে নামেন তারা। আন্দোলনের মুখে এবং লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ মে পণ্যটির রপ্তানি ক্যাটাগরি ‘নিষিদ্ধ’ থেকে ‘অবাধ’ করা হয়। সেই সঙ্গে ৪০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক এবং প্রতিটনের ন্যূনতম মূল্য ৫৫০ ডলার ঠিক করে দেওয়া হয়। ৪০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার ভোট সামনে রেখে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানি শুল্ক নামানো হয় ২০ শতাংশে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে তাও আর থাকছে না।
ভারত এমন সময় এই রপ্তানি শুল্ক প্রত্যাহার করল, যখন বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই কম। অতীতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বাজারে যখন পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে, তখন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির কারণে দাম আরও কমে যায়। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST