প্রতিনিধি ৩০ জুন ২০২৬ , ৯:০৫:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেক্স:
সম্প্রতি ধর্ষণ মামলা বেশি হওয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ধর্ষণের মামলা একটু বেশি হওয়ার কারণ হলো- আগে ধর্ষণের শিকার হওয়ারা মামলা করতে থানায় যেত না বা যেতে পারত না সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে। এখন থানায় গেলেই মামলা রেকর্ড করা হয়, অনলাইনে জিডি, এফআইআর দায়ের করতে পারে। এখানে কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি মঞ্জুরি ও ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি গণমাধ্যমের খবর উদ্ধৃত করে গত এপ্রিল ও মার্চ মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, পুরো বাজেটের সবটাই যদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেওয়া হয় বা এই মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তারপরও কতটুকু উন্নয়ন হবে, তা আমরা জানি না। তারপরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বক্তব্য দেন সারা দেশ মুগ্ধ হয়ে শোনে। আমি একজন আইনের শিক্ষার্থী, আমিও উনার ডিবেট মুগ্ধ হয়ে শুনি। কিন্তু উনার এই মুগ্ধতা যদি উনি উনার মন্ত্রণালয়ে ছড়িয়ে দিতে পারতেন এবং তার মন্ত্রণালয়ের কাজের মাধ্যমে, তাহলে এটি ছাঁটাই করার… প্রস্তাব আমি রাখতাম না।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগেও তিনি সংসদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়টি ডাটাসহ তুলে ধরেছেন। খুনের চিত্র, ধর্ষণের চিত্র, নারী ও শিশু নির্যাতনের চিত্র, ডাকাতির সংখ্যা মাসওয়ারী দিয়েছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকে এই পর্যন্ত সমস্ত ডাটায় আমরা ঐতিহাসিকভাবে এগিয়ে আছি, উন্নত আছি।
মন্ত্রী বলেন, ধর্ষণের কেস রেকর্ডের ক্ষেত্রে আমরা একটু বেশি চিত্র পেয়েছি। তার একটা কারণ আছে, আগে ধর্ষণের শিকার হওয়ারা রেকর্ড করতে যেত না থানায় বা পারত না, সামাজিক বা রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে। এখন থানায় গেলেই অথবা অনলাইনে জিডিসহ অন্যান্য কিছু দায়ের করতে পারে। এফআইআর দাখিল করতে পারে। এখানে কোনো ইন্টারফেয়ারেন্স নাই। যার কারণে নম্বরটা একটু ইনক্রিজ হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তবে সুখের কথা হলো ধর্ষণ যেখানেই হোক, শিশু হোক, নারী হোক, যে অবস্থাতে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বিভাগ গ্রেফতারসহ চার্জশিট প্রদানের জন্য এবং মামলায় সহযোগিতা করার জন্য সাক্ষী উপস্থাপনসহ ট্রায়ালের সমস্ত ক্ষেত্রে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখা গেছে। যার জন্য পল্লবী শিশু হত্যার বিচার হয়েছে ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে। এটা বাংলাদেশের রেকর্ড। তনু হত্যার আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গ্রেফতার করা সক্ষম। বাকিগুলোও হবে।












Design & Developed by BD IT HOST