প্রতিনিধি ২৮ এপ্রিল ২০২৬ , ৪:৪১:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ১৪নং নওমালা ইউনিয়নে খালের ওপর অপরিকল্পিত বাঁধ ও কালভার্ট নির্মাণের ফলে ৫টি গ্রামের কৃষি ও জনজীবনে চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকট নিরসনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন ও মানবিক নিবেদন জানিয়েছেন পটুয়াখালী জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল হক বাচ্চু। এলাকার কৃতি সন্তান হিসেবে তাঁর এই পোস্টটি বর্তমানে জনমহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট নুরুল হক বাচ্চুর মূল আহ্বান:জনস্বার্থে এবং এলাকার হাজার হাজার কৃষকের জীবিকা রক্ষায় খালের এই পয়েন্টগুলোতে পুনরায় ব্রিজ নির্মাণ করে পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। মাটির বাঁধ ও কালভার্ট দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ায় আজ আমাদের কৃষি ব্যবস্থা হুমকির মুখে।
অ্যাডভোকেট নুরুল হক বাচ্চু তাঁর ফেসবুক বার্তায় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কালাইয়া-পটুয়াখালী প্রধান সড়ক (ডিসি রোড) সংলগ্ন নওমালা ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আগে ব্রিজ বা পোল থাকলেও বর্তমানে সেখানে মাটির বাঁধ ও কালভার্ট দিয়ে পানি চলাচলের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে মৈষাদী, নওমালা, বটকাজল, নিজ বটকাজল এবং ভাংড়া গ্রামের হাজার হাজার একর ফসলি জমির পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি দ্রুত সংস্কারের জন্য নিচের স্থানগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন:আশুরীর হাট সংলগ্ন সড়ক
,ভাঙ্গাব্রীজ পোল এলাকার সড়ক,পশ্চিম নওমালা মাদ্রাসার সামনের অংশ,সোমর মৃধা বাড়ির সামনের সংযোগস্থল,বাবুর হাট ইঞ্জুর বাড়ির সামনের অংশ
নওমালা ইউনিয়নের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। কিন্তু খালের পানি প্রবাহ সচল না থাকায় চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছে এবং হাজার হাজার কৃষক চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষকদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।
ভাংড়া গ্রামের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট নুরুল হক বাচ্চুর এই সময়োপযোগী ফেসবুক পোস্ট ও মানবিক নিবেদনকে এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভোগী কৃষকরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে কৃষকদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।


















Design & Developed by BD IT HOST