প্রতিনিধি ৮ জুন ২০২৬ , ১:০৭:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেক্স:
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত মো. জোবায়ের (১৮) চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। তার লাশ নিয়ে বন্দর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় এক পুলিশের উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ক্লোজড করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যায় জোবায়েরের লাশ বন্দরে পৌঁছায়। এরপর লাশ নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। একইদিন ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।
জোবায়ের পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি বন্দরের এনায়েতনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং অটোরিকশা চালাতেন।
স্থানীয় ও পরিবারের দাবি, ৩ জুন ছিনতাইকারীরা জুবায়েরকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রোববার ভোরে তিনি মারা যান।
এ ঘটনার পর জোবায়েরের বাবা জাহাঙ্গীর বন্দর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলেও মামলা নেওয়া হয়নি। জোবায়েরের প্রতিবেশী টিপু জানান, মামলার জন্য থানায় গেলে জোবায়েরের বাবার এক বন্ধুর কাছে বন্দর থানার অভিযুক্ত এসআই মাসুদ ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না দেওয়ায় সে সময় মামলা নেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, দায়িত্বে অবহেলার কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এসআই মাসুদ রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এলাকার কিছু লোকজন এসেছিলেন। তবে আমি তাদের কথা দিয়েছি, এটার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তাই আমার কথার ওপর আস্থা রেখে থানা থেকে চলে গেছেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বাবা মামলা করতে এসেছিলেন এমন তথ্য আমার কাছে নেই। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে আমরা ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছি। মামলা না হওয়ায় সেই আসামিকে অন্য আরেকটি মামলায় কোর্টে চালান করেছি।


















Design & Developed by BD IT HOST