সারাদেশ

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইমানি ও নৈতিক দায়িত্ব, হেফাজত আমির

  প্রতিনিধি ১৭ জুলাই ২০২৬ , ১০:৪৪:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ইমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। হেফাজতে ইসলাম সবসময় মজলুম ও অসহায় মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অসহায় ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, শুধু ত্রাণ সহায়তা দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও আমাদের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদেরও দুর্গত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
এছাড়া তিনি (হেফাজত আমির) টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত ও বন্যাদুর্গত মানুষকে এই কঠিন দুর্যোগে ত্রাণ ও নগদ অর্থ সহায়তা পেয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হেফাজতে ইসলাম ও সংগঠনের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন, জিরি মাদ্রাসার মুহতামিম হেফাজত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ খোবাইব বিন তৈয়ব, জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় মুহতামিম মাওলানা মুফতি ইকরাম হোসাইন অদুদী।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাঁশখালী উপজেলা শাখা সভাপতি মাওলানা নুরুল হক সুজিশ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান জসিম, পৌরসভা সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা অর্থ সম্পাদক মাওলানা জুনাইদুর রশিদ শওকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ক্বারি মাওলানা ইমরান প্রমুখ।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বাঁশখালীর তিনটি ইউনিয়নে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এলাকাগুলো হলো, বাহারছড়া ইউনিয়নে ইলশা ও বাঁশখালা গ্রাম; সরল ইউনিয়নে ১, ২ ও ৫ নাম্বার ওয়ার্ড; ভাদালিয়া ইউনিয়নে মিনজিতলা গ্রাম এবং পেকুয়া উপজেলার বিলাছুরা, নন্দীপাড়া, মেহেরনামা গ্রাম।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে হেফাজতের স্বেচ্ছাসেবকরা দিনব্যাপী বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নের পানিবন্দি এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও নগদ অর্থ পৌঁছে দেন।
উল্লেখ্য, গত কিছুদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর ছনুয়া, শেখেরখীল, শীলকূপ, গণ্ডামারা ইউনিয়নসহ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারও মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST