রাজনীতি

চার আসনে এনসিপির প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় জোট

  প্রতিনিধি ২১ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:৩৫:৩১ প্রিন্ট সংস্করণ

অনলাইন ডেক্স:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা আটটি দলের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মিলে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোট আত্মপ্রকাশ করে। আসন সমঝোতায় এনসিপিকে ৩০টি সংসদীয় আসন ছেড়ে দেওয়া হলেও নরসিংদী-২, চট্টগ্রাম-৮, সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের অন্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। ফলে, নির্বাচনে শরিক দলের বিপরীতেই লড়তে দেখা যাবে এনসিপিকে।
নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থাকলেও এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা সরে না দাঁড়ানোয় বিষয়টি নিয়ে জোটের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এনসিপি জানিয়েছে, এ নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
নরসিংদী-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আমজাদ হোসাইন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। অভিযোগ রয়েছে, মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিনে তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা নিজ বাসায় আটকে পড়েন। ফলে এনসিপির প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার) একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে ঐক্যভুক্ত অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়াননি। ফলে আসনটিতে এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফের সঙ্গে মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতের আবু নাছের। এ ঘটনাকে এনসিপির প্রার্থী ‘অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এ ছাড়া এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আরও ২টি আসন সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ এ জোটভুক্ত অন্যান্য দুই শরিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাঠে রয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, যেসব আসনে সমঝোতা থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST