প্রতিনিধি ৩ এপ্রিল ২০২৬ , ২:৫৯:৪০ প্রিন্ট সংস্করণ
শফিকুল ইসলাম,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
ইউনিয়নের প্রকৃত মালিক জনগণ, আর জনপ্রতিনিধিরা হলেন তাদের খাদেম বা সেবক মাত্র। দায়িত্ব এবং ক্ষমতার মোহে না অন্ধ হয়ে জনপ্রতিনিধিত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তাঁর একটি দায়িত্বশীল ও নীতিবাক্য সংবলিত পোস্ট স্থানীয় রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
বর্তমান দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আগামী দিনের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ভোটারদের অত্যন্ত দূরদর্শী ও সচেতনতামূলক কিছু বার্তা দিয়েছেন। তাঁর সেই পোস্টে উঠে এসেছে ৫টি যুগান্তকারী মূলনীতি:

ইউনিয়নের প্রকৃত মালিক হলেন সাধারণ জনগণ।
চেয়ারম্যানের মূল পরিচয় তিনি জনগণের ‘খাদেম’ বা সেবক।
আগামী ৫ বছরের জন্য তাকেই নির্বাচিত করা উচিত, যে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ সবচেয়ে বেশি করতে পারবেন।
যিনি জনগণকে সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারবেন।
যার মাধ্যমে ইউনিয়নের কোনো একটি মানুষও সামান্যতম কষ্ট পাবেন না।
পরিশেষে তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ লিখে পোস্টটি শেষ করেন।
প্রশংসায় ভাসছেন দায়িত্বশীল এই জনপ্রতিনিধি
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলামের এই বাস্তবসম্মত ও অহংকারহীন পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। স্থানীয় ভোটার এবং সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, একজন ক্ষমতাসীন প্যানেল চেয়ারম্যান হয়েও ক্ষমতার দাপট না দেখিয়ে জনগণকে মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত বিরল। তাঁর এই চিন্তাধারা ধুলিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিক্রিয়া
এলাকার বিশিষ্টজন ও তরুণ সমাজ মনে করছেন, পেশায় প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম তাঁর এই ৫টি পয়েন্টের মাধ্যমে মূলত একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়নের রূপরেখা তুলে ধরেছেন। যেখানে কোনো হিংসা-বিদ্বেষ বা ক্ষমতার অপব্যবহার থাকবে না, থাকবে শুধুই জনগণের অধিকার ও সেবা। একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর এই স্বচ্ছ ও বিনয়ী মানসিকতা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


















Design & Developed by BD IT HOST