প্রতিনিধি ২৯ জুলাই ২০২৬ , ৬:৪৯:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ
কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি।:
কাজিপুরে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং নতুন পাট কাটা ও জাগ দেওয়ার কাজ পুরোদমে চলছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৪,২৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশ চরের ইউনিয়নগুলোতে অবস্থিত।ফলন ও বাজার পরিস্থিতিবাম্পার ফলন: আবহাওয়া ভালো থাকায় কাজিপুর উপজেলায় পাটের চমৎকার ফলন পাওয়া গেছে।প্রক্রিয়াজতকরণ: নদী ও খালের পানিতে পাট জাগ দেওয়া এবং আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকরা।হাটবাজার: উপজেলার স্থানীয় হাটগুলোতে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে এবং ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে বেশ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে বিভিন্ন অঞ্চলের পাটের ভালো ফলন হয়েছে খাল বিল ও জাগ দেয়া এবং আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ফসল ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের বাড়ন্ত অবস্থা ভালো ছিল। নদী ও খালের পানিতে জাগ দেওয়া সহজ হয়েছে। নতুন সোনালী আঁশ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। কৃষকদের অভিজ্ঞতা ও সমস্যা ও শ্রমিকের ন্যায্য বাড়ায় উৎপাদন খরচটা কিছুটা বেশি।পাট জাগ দেওয়ায় পানি সংকটে অনেক এলাকা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ন্যায্য বাজারদর নিয়ে কৃষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে যায়, উপযুক্ত সময়ের সরকারি প্রণোদনা, মাঠে কর্মরত কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শ এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব কম থাকায় এবছর কাজিপুরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। চরাঞ্চলসহ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে তোষা ও বিদেশী জাতের পাটের চমৎকার ফলন দেখে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। পাটের বর্তমান অবস্থা ও কৃষি কর্মকর্তা বক্তব্য,
আবাদ ও লক্ষ্যমাত্রাঃ চরাঞ্চলসহ কাজিপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে লক্ষ্যমাত্রা চেয়েও বেশি জমি পাটের ব্যাপক আবাদ হয়েছে।
প্রধান জাত সমূহঃচাষ করা জমির একটি বড় অংশে মেস্তা ও দেশি জাতের পাট চাষ করা হয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, আবহাওয়ায়, সময় মত সরকারি সহায়তা ও মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ফলে উৎপাদন চমৎকার সাফল্য এসেছে।












Design & Developed by BD IT HOST