প্রতিনিধি ২৩ জুন ২০২৬ , ৮:৪৪:২২ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেক্স:
সচেতনতার অভাবে কোনো শিশুই যেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম।
তিনি বলেন, অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদা খানম বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
তিনি বলেন, ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। বিশেষ করে বস্তি, ভাসমান ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, অভিভাবকদের সচেতন করতে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের উপকারিতা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারা দেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলার লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।


















Design & Developed by BD IT HOST