প্রতিনিধি ১৭ জুলাই ২০২৬ , ১০:৩৬:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
টানা ভারি বর্ষণ কমে আসায় ঝরনাগুলোতে পানির প্রবাহ কমেছে। ফলে বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কের আওতাধীন মীরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলার মধ্যবর্তী অঞ্চলের সব পাহাড়ি ঝরনা আবারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে বন বিভাগ।

কিন্তু এসব ঝরনায় দর্শনার্থীদের যাওয়া আসার পথে কিছু ঝিরিপথ এবং ঝরনার উপরের ধাপগুলোতে এত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ জোন রয়েছে যেসব এলাকায় দুর্ঘটনা রোধ করতে বন বিভাগ বা ইজারাদার কারো পক্ষ থেকেই নেই কোনো নির্দেশনা বা তদারকি। ঝুঁকি এড়াতে এসব এলাকা ভ্রমণে ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা ভ্রমণের প্রশিক্ষণসহ নির্দেশনা সাইন দিয়ে প্রচারণা এবং গাইডিং ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সচেতন মহল।
বন বিভাগ জানায়, অতি বৃষ্টির কারণে ঝরনাগুলোতে প্রবল স্রোত ও পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে কিছুদিন ধরে সাময়িকভাবে সব ঝরনা বন্ধ রাখা হয়েছিল। বর্তমানে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় এবং ঝরনাগুলোতে পানির প্রবাহ কমে আসায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বাভাবিক নিয়মে পর্যটকদের জন্য ঝরনাগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।
বারৈয়াঢালা বন রেঞ্জ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, গত ১৪ জুলাই থেকে ঝরনাগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কে মোট ১১টি ঝরনা রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৯টিতে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উল্লেখযোগ্য ঝরনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া, রূপসী, বাওয়াছড়া, সহস্রধারা ও সোনাইছড়া।
তিনি আরও বলেন, তবে আগের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইজারাদারকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে এসব ঝর্ণা উন্মুক্ত করার পর দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়ে গেছে অনেকগুণ। যদিও অনেক তরুণ নিষেধাজ্ঞার সময়ও বাধা উপেক্ষা করে ঝরনার প্রবহমান বর্ষণমুখর প্রকৃতির রূপ দেখতে গিয়েছে।
সম্প্রতি দেখা গেছে, প্রবল বর্ষণে মীরসরাই উপজেলার কয়েকটি ঝর্ণা সম্প্রতি জলপ্রপাতময় দানবীয় ভয়ংকর রূপধারণ করেছে। বর্তমানে অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠায় এসব ঝরনায় মীরসরাই- সীতাকুণ্ড এলাকার এসব ঝরনা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের ওপর বন বিভাগ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।












Design & Developed by BD IT HOST