প্রতিনিধি ২৩ মার্চ ২০২৫ , ৮:৪০:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মহিপুর-আলিপুরের মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ মশিউর রহমানকে অপহরণ এবং আটকে রেখে অশালীন ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আলিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ, ২০২৫ আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে কুয়াকাটা আলিপুর থ্রী পয়েন্ট মশিউরের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে প্রথমে কিল গুষি দিয়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং মারধর করে এক দল সন্ত্রাসি। এরপর ওখান থেকে টোলপ্লাজা সংলগ্ন পূর্ব পার্শ্বে দুই তলা একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় এবং ভুক্তভোগী কিছু বুঝে উঠতে না পারার তাকে উলঙ্গ করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। আরো জানা গেছে, ভিডিওকলে রেখে অন্যপ্রান্তে একটি মেয়েকে রেখে ভুক্তভোগীকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখায়। বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এনে ভুক্তভোগীর পাশে রেখে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায় শারীরিক ও মানুষি নির্যাতন করে। এরপর শুরু হয় টাকার জন্য অত্যাচার-নির্যাতন। বলে টাকা দিতে হবে দশ লক্ষ্য, ছিনিয়ে নেওয়া হয় সাথে থাকা নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং সাথে থাকা ব্যাংকের এ টি এম কার্ড। পরবর্তীতে কার্ড দ্বারা বুথ থেকে উঠিয়ে নেয় ১৯ হাজার টাকা। এর পর বলে আরও টাকা লাগবে আত্মীয়-স্বজন থেকে বিকাশে নেয় আরও ৫০ হাজার টাকা। একাধিক সাংবাদিকদের ভুক্তভোগী মশিউর রহমান জানান, আমি কাউকে চিনি না তাদের সাথে আমার পূর্বের কোন পরিচয় নাই, তবে একজনের পরিচয় জানতে পেরেছি তার নাম আলামিন ওরফে ব্লাক আলামিন, আলিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। বহু নাটকীয়তার পর ছেড়ে দেওয়া হয় রাত সাড়ে ১০ টার দিকে। ভুক্তভোগীর বাড়ি বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নিজ বটকাজল গ্রামে।
খবর পেয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার মশিউরকে তার পরিবারবর্গ ১৭ মার্চ দশমিনা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী মোটামোটি সুস্থ হয়ে ২০ মার্চ, ২০২৫ ইং তারিখ মহিপুর থানায় ও সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন।
অভিযুক্তকারী আলামিন এর সাথে বক্তব্য জন্য যোগাযোগ করার চেস্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
মহিপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা অনিমেষ হালদার বলেন এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে মামলা রজু করা হবে।












Design & Developed by BD IT HOST