প্রতিনিধি ৮ আগস্ট ২০২৬ , ৬:১৪:৩২ প্রিন্ট সংস্করণ
কাজিপুরে আখ চাষের বাম্পার ফলন।

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,
কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি।
চলতি বছরে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলায় প্রায় ২৪ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আখের আবাদ করা হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হেক্টর বেশি। কাজিপুরের বিভিন্ন চরাঞ্চলে এই বাণিজ্যিক আখ চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে।কাজিপুরের আখ চাষের বৈশিষ্ট্য ও জাতচাষকৃত জাত: ফিলিপাইনের উন্নত জাতের ব্ল্যাক সুগার কেইন, স্থানীয় জাত এবং ঈশ্বরদী অঞ্চলের অনুমোদিত জাত যেমন ওংফ ১৬, ওংফ ৪৫, ওংফ ৪৬, ওংফ ৪৭ ও রং বিলাস চাষ করা হচ্ছে।উৎপাদন ও ব্যবহার: উৎপাদিত আখের বড় অংশ স্থানীয়ভাবে গুড় তৈরি এবং চুষে খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এখানকার কৃষকদের মতে, আখ শুধু একটি অর্থকরী ফসল নয়, এটি কাজিপুরের হাজারো পরিবারের জীবিকার অন্যতম ভিত্তি। আখ কাটার মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গুড়ের ভাটা চালু হয়। সেখানে শত শত শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। ফলে আখের উৎপাদন কমে গেলে কৃষকের পাশাপাশি গুড় উৎপাদক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপরও এর প্রভাব পড়ে।
নাটুয়ারপাড়া আখচাষি রবিউল জানান, এবার চার বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। শুরুতে গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো ছিল। পরে কিছু গাছে মিলিবাগের আক্রমণ দেখা দেয়। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করেছি। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাব বলে আশা করছি।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এবার আখ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রথমবারের মতো বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্নত জাতের আখ চাষ, আধুনিক পরিচর্যা এবং রোগ-পোকা দমনে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত জমিগুলোতে কৃষি কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।


















Design & Developed by BD IT HOST