জাতীয়

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আভাস, যে বার্তা দিল সরকার

  প্রতিনিধি ৬ মার্চ ২০২৬ , ৮:৩১:৫১ প্রিন্ট সংস্করণ

অনলাইন ডেক্স:
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আতঙ্ক চেপেছে জনমনে। তবে জ্বালানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতে সরকার সজাগ।
শুক্রবার রাজধানীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত মজুত আছে। দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো শঙ্কা নেই। আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। যতটুকু জ্বালানি লাগে, এর বেশি না নেবেন না। বৈশ্বিকভাবে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে, দেশে তেলের দাম না বাড়ানোর। একেবারেই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে সেটা শেয়ার করব।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদে যাতে দেশে জ্বালানির সংকট না হয়, সেজন্য আগামী রোববার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে। এ বিষয়ে লিখিত নির্দেশনা পেট্রল পাম্পগুলোকে দেওয়া হবে।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।
স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলাররা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST