সারাদেশ

কাজিপুরে বাড়ছে লাভজনক কলা চাষ

  প্রতিনিধি ২৭ আগস্ট ২০২৬ , ১১:৪১:১৩ প্রিন্ট সংস্করণ

কাজিপুরে বাড়ছে লাভজনক কলা চাষ।

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি:
স্বল্প খরচে ও কম সময়ে অধিক ফলন এবং লাভ হওয়ায় কাজিপুরে কলার আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া কলাচাষে উপযোগী, তাই যুক্ত হচ্ছেন নতুন চাষিরাও। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সর্বত্রই কলার আবাদ হয়ে থাকে। তবে দুর্গম চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, মাইজবাড়ী, শুভগাছা, নিশ্চিন্তপুর, মনসুর নগর ও চরগিরিশ ইউনিয়নে কলার আবাদ বেশি হয়। এই উপজেলায় সাধারণত সবরি, সাগর ও কাঁচকলার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। ব্যাপক চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাণিজ্যিক ও পারিবারিকভাবে কলার আবাদ হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পারিবারিকভাবে লোকজন বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার ধারে ও পরিত্যক্ত জায়গায় কলার আবাদ করছেন। ভালো দাম পাওয়ায় অনেকেই কলাগাছ রোপণ করছেন। নাটুয়ার পাড়া ইউনিয়নের আকবর হোসেন জানান , “জমিতে একবার কলাগাছ লাগানোর পর টানা তিন বছর আবাদ করা হয়। তিন বছর পর সেই জমিতে এক বছর অন্য কোনো ফসলের চাষ করা হয় এবং পরবর্তীতে আবার কলার আবাদ করা হয়। এই এক বছরে এ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা খরচ হয়েছে। এরই মধ্যে কলা বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ২৫,০০০ টাকা লাভ হয়েছে। আমাদের জায়গা কম, তাই বেশি করে চারা লাগাতে পারি না।” তিনি আরও বলেন, “ তেমন কোনো খরচ নাই, শুধু একবার চারা রোপণ করলেই হয়।” তিনি সকলকে বাড়িতে কলার চারা রোপণের পরামর্শ দেন। পৌর বাজারের কলা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, কাজিপুরের চরাঞ্চলের কলা থাকলে অন্য এলাকার কলা বিক্রি কম হয়।
কাজিপুরে চাপা কলা: প্রতি ডজন প্রায় ৭০ থেকে ৯০ টাকা।সবরি কলা: প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা (ডজন প্রতি ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা বা প্রতি পিস ১০ টাকা পর্যন্ত)।সাগর বা অন্যান্য সাধারণ কলা: প্রতি ডজন ৪০ থেকে ৬০ টাকা।
কলাচাষিরা বলেন, ‘অন্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি হয়। তাই প্রতিবারই কলাগাছ লাগানো হয়।
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম জানান, কাজিপুরের মাটি কলা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কলার আবাদ বাড়ছে।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST