সারাদেশ

কাজিপুরে রোপা আমনের বীজতলায় সবুজের সমারোহ

  প্রতিনিধি ৩০ জুলাই ২০২৬ , ৬:০৩:২২ প্রিন্ট সংস্করণ

কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি।
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে রোপা আমনের বীজতলা এবং খেতগুলো এখন সবুজ চারাতে ভরে উঠেছে। কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন চারাবীজ পরিচর্যা ও জমিতে চারা রোপণের কাজে।প্রতি মৌসুমে কাজিপুরে প্রায় ১০ হাজার ৯০০ থেকে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ও আবাদ অর্জিত হয়েছে।প্রধান এলাকা: নাটুয়াপাড়া, মনসুর নগর, সোনামুখী ও চালিতাডাঙ্গা এলাকায় আমন চাষের ব্যাপক প্রস্তুতি ও ঝোঁক দেখা যায়।কৃষকের ব্যস্ততা: চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার ও সার প্রয়োগ নিয়ে কৃষকেরা এখন মাঠে সময় কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে কাজিপুর উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় রোপা আমন আবাদ বৃদ্ধির জন্য সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি আওতায় প্রতি এক বিঘা জমির জন্য একজন কৃষককে সাধারণত ৫ কেজি উপশী রোপা আমন ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি(DAP) সার, এবং ১০ কেজি এম, ও,পি(MOP) সার বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে।
কাজিপুরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম রোপা আমন ধান চাষ ও এর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মাঠপর্যায়ের নানা তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। অনুকূল আবহাওয়া, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব নিয়ে তিনি যেসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন তা নিচে দেওয়া হলো:লক্ষ্যমাত্রা ও চাষাবাদঅধিক জমিতে চাষ: কাজিপুরে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে।সাধারণ লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১০,৯০০ হেক্টর ধরা হলেও পরবর্তীতে প্রায় ১১,০০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ অর্জিত হয়। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা: এই মৌসুমে প্রায় ৫৭,২০০ মেট্রিক টন চাল বা ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল] মাঠপর্যায়ে তদারকি: কৃষকদের সফলভাবে চাষাবাদ করতে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছেন।আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক প্রভাবআবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন: আবহাওয়া ভালো থাকলে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছিল কৃষি বিভাগ। দূর্যোগের ঝুঁকি: মৌসুমের শেষভাগে বা ধান পাকার সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি, নিম্নচাপ ও ঝড়ো বাতাসের কারণে অনেক সময় রঞ্জিত, গুটিস্বর্ণা বা ধানিগোল জাতের ধান মাটিতে পড়ে গিয়ে আংশিক ক্ষতির মুখে পড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ: জলাবদ্ধতা ও বাতাসে ধান হেলে পড়ার ফলে ফলন কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হয়।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST