জাতীয়

স্থানীয় নির্বাচনের বছরে ইসির জন্য বরাদ্দ সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা

  প্রতিনিধি ১১ জুন ২০২৬ , ১১:২৭:২৪ প্রিন্ট সংস্করণ

অনলাইন ডেক্স:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বছরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ অঙ্ক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রস্তাবিত বাজেটে ইসির জন্য বরাদ্দ রাখা ৪ হাজার ৪০০ কোটির মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আর ৭৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উন্নয়ন ব্যয়ে।
গেল অর্থবছরে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের বছরে ইসির জন্য বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে পরিচালন ব্যয় ছিল ২ হাজার ৭২৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ২২৯ কোটি ৫ লাখ টাকা ছিল উন্নয়ন খাতে।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৪৫ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
এর আগে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট ইসির জন্য পরিচালনা খাতে বরাদ্দ ছিল ৭৯৩ কোটি টাকা। উন্নয়ন খাতে ছিল ৪৩৭ কোটি টাকা।
নতুন অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের ভোটের প্রস্তুতি চলছে।
পোস্টার নিষিদ্ধ ও ডিজিটাল প্রচারণায় কড়াকড়ি রেখে ইসির আচরণবিধির নতুন খসড়া
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ইতোমধ্যে বলেছেন, কোন নির্বাচন আগে হবে, তা নির্ভর করছে (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে। অক্টোবর-মার্চ পযন্ত ভোটের উপযুক্ত সময়। ভোটের ব্যয়ে কখনও অর্থ সঙ্কুলানে ঝামেলা হয় না, যখন যা দরকার সরকার তা বরাদ্দ দেয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, বাজেটে নির্বাচনের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসার পরই জুলাই-অগাস্ট থেকে সিদ্ধান নেওয়া হবে, কোন নির্বাচন কবে হবে।

আগামী অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের ভোটের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এরমধ্যে স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা ও ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ইসির মূল কাজের মধ্যে রয়েছে—

সিটি নির্বাচন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউপি নির্বাচন, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের উপ-নির্বাচন আয়োজন।
কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন।
ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগ।
পেপার লেমিনেটেড এনআইডি প্রস্তুত, মুদ্রণ ও বিতরণ।
স্মার্ট এনআইডি বিতরণ।
আঠারো বছরের কম বয়সীদের নিবন্ধন ও এআইডি প্রদান; প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিবন্ধন।
এনআইডি মিনি আর্কাইভ স্থাপন, কুমিল্লায় ডিআরএস স্থাপন ও এনআইডির তথ্য অবকাঠামোর জন্য সাইবার সেন্সর সিস্টেম স্থাপন।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST