অর্থনীতি

ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

  প্রতিনিধি ১২ মে ২০২৬ , ৯:২২:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ

অনলাইন ডেক্স:
বিদেশগামীদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জমা দেওয়া ব্যাংক হিসাবের বিবরণী, আর্থিক সক্ষমতার সনদ এবং বিনিয়োগ– সম্পর্কিত কাগজপত্রে এখন থেকে কিউআর কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নথিগুলোর সত্যতা সহজ ও দ্রুত যাচাইয়ের সুবিধা নিশ্চিত করতে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (১২ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিপিডি-১) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
সার্কুলারে বলা হয়, বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারে নানা ধরনের ব্যাংক নথি জমা দিতে হয়। তবে তাৎক্ষণিক যাচাইয়ের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো প্রায়ই জটিলতায় পড়ছে। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় লাগছে এবং প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সংশ্লিষ্ট নথি ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করতে সব ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন এ ব্যবস্থা চালু হলে দূতাবাসগুলো সহজেই নথির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, নথিতে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্যমান হবে। এর মধ্যে থাকবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি তৈরির সুনির্দিষ্ট তারিখ। ব্যাংকগুলোকে এ সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রদর্শিত তথ্যগুলো অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে। পাশাপাশি এ প্রক্রিয়া চলাকালীন সাইবার নিরাপত্তা ও গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব বিধি মেনে চলতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নির্দেশনা জারি করেছে। এর ফলে বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST