প্রতিনিধি ১৪ মে ২০২৫ , ১১:০৫:২৪ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেক্স:
সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দমকল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেছেন, ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধার সহায়তায় ৬০ সদস্যের বিশেষ ফোর্স ও বিভাগীয় শহরে ২০ জনের বিশেষ টিম গঠন করা হচ্ছে। মূলত বড় ধরনের আগুন, ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায়
এগুলোর প্রস্তুতি থাকবে। ইতোমধ্যে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হচ্ছে।
বুধবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (কর্্যাব) সদস্যদের নিয়ে অগ্নিনির্বাপণ, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিত্সাবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফায়ার (দমকল) ডিজি বলেন, ভূমিকম্প হলে আমাদের অধিদপ্তরও আক্রান্ত হতে পারে। তাই বলে উদ্ধার অভিযান দলকে আক্রান্ত হতে দেওয়া যাবে না। তাই আমাদের কমান্ডিং ফোর্সকে আলাদা করা হচ্ছে। সারাদেশ থেকে বাছাইকরা দমকল কর্মীদের নিয়ে ৬০ জনের একটা বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে পূর্বাচলে রাখা হয়েছে। এই টিম মূলত বড় ধরনের আগুন, ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। ইতোমধ্যে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতি বিভাগীয় শহরে ২০ জনের একটা করে বিশেষ টিম গঠন করা হচ্ছে। যদি চট্টগ্রামে ভূমিকম্প হয়, ওই টিম যেন দ্রুত মুভ ও রেসপন্স করতে পারে। পাশাপাশি ঢাকার ৬০ জনের বিশেষ টিমকেও সেখানে পাঠানো যাবে। তবে ঢাকা বা চট্টগ্রামের জনসংখ্যার তুলনায় ফায়ার সার্ভিসের জনবল, ইকুইপমেন্ট বা স্টেশন সংখ্যা পর্যাপ্ত না। এ সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। বর্তমানে ঢাকায় ১৮/২০টা স্টেশন আছে। বড় ভূমিকম্প হলে ৮/১০টা স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাকি স্টেশনগুলো তখন বিশেষ ফোর্সের সঙ্গে সহায়তা করবে।
ফায়ার ডিজি বলেন, পাঠ্যপুস্তকে ফায়ার সেফটি সচেতনতার বিষয়টি এবছর সংযুক্ত করা যায়নি। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনাসহ বিস্তারিত সব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আশা করব আগামী বছর পাঠ্যপুস্তকে তা সংযুক্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, কাজ করতে ভুল হতে পারে, তবে সজ্ঞানে ফায়ার সার্ভিসের কেউ দুর্নীতি বা নিয়োগ বাণিজ্যে জড়াব না। মিয়ানমারে ভূমিকম্পে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ফায়ার সার্ভিসের সবার পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার জন্য ভূয়সী প্রশংসা ও সুনাম অর্জন করার কথা জানান তিনি।
ক্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদি তমাল বলেন, অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্পসহ যেকোনো দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারি প্রতিষ্ঠান ফায়ার সার্ভিস। শুধু তাদের ভরসায় না থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতাও বাড়াতে হবে। ফায়ার সেফটি সচেতনতার বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে ছোটবেলা থেকেই সচেতনতা বাড়বে।
কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে ক্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জসীম উদ্দীনসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার ও মিডিয়া সেলের সিনিয়র স্টাফ অফিসার মো. শাহজাহান শিকদারসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।












| সোম | মঙ্গল | বু | বৃহ | শুক্র | শনি | রবি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৭ | |
| ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১ | ১৩ | ৪ |
| ১৫ | ১৬ | ১ | ৮ | ১৯ | ২০ | ২১ |
| ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ | ২৬ | ২৭ | ২ |
| ৯ | ৩০ | |||||






Design & Developed by BD IT HOST