প্রতিনিধি ২৮ অক্টোবর ২০২৫ , ৯:৪২:২৯ প্রিন্ট সংস্করণ
অনলাইন ডেক্স:
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর পাবলা এলাকায় পারভেজ হাওলাদার ও সুপর্ণা সাহা হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অপর দুই আসামির অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে জনাকীর্ণ আদালতে ‘ডাবল মার্ডার’ মামলার এ রায় ঘোষণা করেন খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক সুমি আহমেদ।
রায় ঘোষণাকালে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন আদালতে হাজির ছিলেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী শুভেন্দু রায়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দৌলতপুরের পাবলার শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিথুন শহিদ ওরফে শাহরিয়ার চৌধুরী (৩০), গাজী গোলাম কুদ্দুসের ছেলে তুষার গাজী (২৭), মহিউদ্দির মোল্যার ছেলে ইমামুল কবির জীবন (২৭), গোলাম আকবারের ছেলে তুহিন (২৭), ঝালকাঠির আইউব আলীর ছেলে রাজু ওরফে তাইজুল ইসলাম (২২), দৌলতপুরের পাবলা এলাকার এসএম ওমর আলীর ছেলে সোয়েব আহম্মেদ সুমন (২৫) ও মোশারফ খলিফার ছেলে শাকিল (২২)।
এজাহারে উল্লেখ আছে, ২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলনার দৌলতপুরের দেয়ানা সবুজ সংঘ মাঠের কাছে সাহাপাড়ায় সন্ত্রাসীরা গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পারভেজ হাওলাদারকে। তাকে কুপিয়ে জখম করার সময় সাহাপাড়া থেকে সুপর্ণা সাহা, তার কাকা দিলীপ সাহা ও তার স্ত্রী রেখা সাহা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক সুপর্ণা সাহাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত পারভেজের পিতা নিজাম উদ্দীন বাদী হয়ে একদিন পর ৪ জানুয়ারি সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন পুলিশের বড়কর্তা শহিদুল ইসলাম রবির ছেলে মিথুন বিকালে বাড়ি থেকে ডেকে পারভেজকে নিয়ে যায়। মিথুনসহ সাতজন মিলে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ আছে।
ওই সাতজনের নামেই চার্জশিট দাখিল করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।


















Design & Developed by BD IT HOST