আন্তর্জাতিক

ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রে ইসরাইলে এ পর্যন্ত কতজন আহত

  প্রতিনিধি ২৪ মার্চ ২০২৬ , ৮:৩২:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ

অনলাইন ডেক্স:
ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রে এ পর্যন্ত ইসরাইলে আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৮২৯ জন। এই আহতদের মধ্যে ১১১ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং ১২ জনের অবস্থা গুরুতর।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরাইলও।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
এদিকে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরান নতুন করে হামলার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে বিষয়টি।
এ নিয়ে তারা ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে ‘৭৭তম’ বারের মতো হামলা শুরু করেছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, হামলাগুলো ইসরাইলের উত্তর, কেন্দ্র ও দক্ষিণ অংশে চালানো হয়েছে। এতে ‘সুপার-হেভি’ এবং ‘পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট’ সিস্টেম, খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র ও ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
এছাড়া ইরান দাবি করেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিকেও লক্ষ্য করেছে। এর মধ্যে কুয়েতে আলি আল সালেম, সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে আল-দাফরা ঘাঁটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content

Design & Developed by BD IT HOST