গাজা যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে মুক্তি পাবে এমন ফিলিস্তিনিদের তালিকায় নেই আলোচিত চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হুসাম আবু সাফিয়া। একইসঙ্গে তালিকায় নাম নেই গাজায় হামাস নিয়োগপ্রাপ্ত ফিল্ড হাসপাতালসমূহের পরিচালক ডা. মারওয়ান আল-হামস।
এদের মধ্যে আবু সাফিয়াকে গত বছর এবং মারওয়ান আল-হামসকে চলতি বছরের জুলাইয়ে ইসরাইলি বাহিনী আটক করে।
হামাসের একটি সূত্র সিএনএনকে এই তথ্য জানিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরাইল।
উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই হাসপাতালে অভিযানের সময় আরও প্রায় ২৪০ জনের সঙ্গে আটক করে ইসরাইলি সেনারা। সেনাবাহিনীর দাবি ছিল, হাসপাতালটি হামাসের এক কমান্ড সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
ইসরাইলের অব্যাহত গোলাবর্ষণ ও হুমকির মধ্যেও রোগীদের সেবাদান থেকে পিছপা হননি ডা. হুসাম আবু সাফিয়া। বিচার ছাড়াই তাকে আটকে রাখাকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বর্ণনা করেছে ‘নিষ্ঠুর ও অমানবিক’ হিসেবে।
এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সামরিক অভিযানের মধ্যেও অবিচল সাহস ও মানবিকতার পরিচয় দিয়ে সেবা চালিয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হুসাম আবু সাফিয়াকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব করেছিল নেদারল্যান্ডসের চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস ফর গাজা ইন দ্য নেদারল্যান্ডস’। তবে তিনি পুরস্কার পাননি।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী আরও জানায়, আবু সাফিয়ার বিরুদ্ধে হামাসের সদস্য হওয়ার সন্দেহ রয়েছে।
ডা. সাফিয়ার আইনজীবীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বন্দিদশায় তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে—এ পর্যন্ত তার ওজন কমেছে প্রায় ৩০ কেজি। এসডে তেইমান কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতনের পর ওফার কারাগারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। তিনি স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হন এবং বর্তমানে একাকী নির্জন কক্ষে রাখা হয়েছে।
তার উচ্চ রক্তচাপ ও বোমার স্প্লিন্টারের আঘাতজনিত ত্বকের জটিলতাও বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
সম্পাদক : মোঃ সফিকুল ইসলাম আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট নূরুল হক বাচ্চু
E-mail: dainik-ekattorerpata@gmail.com মোবাইল নাম্বার : 01710150103
অফিস: 147/1, মিরহাজিরবাগ (শেখ পাড়া), যাত্রাবাড়ী, ঢাকা